বৃহস্পতিবার, ১৬ Jul ২০২৬, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
সুনামগঞ্জের আট উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত দিরাইয়ে পাওয়া গেছে নিষিদ্ধ সাকার ফিসের অস্বিস্ত দিরাইয়ে বিশেষ অভিযানে ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ দিরাই প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে নবাগত ওসির মতবিনিময়: দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দিরাইয়ে পঞ্চায়েতি বিচারের নামে রাষ্ট্রবিরোধী আইন: নিরাপত্তাহীনতায় বহু পরিবার লন্ডনে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় বক্তাগণ: মুহাদ্দিস হবিগঞ্জী ছিলেন এ শতাব্দীর বিরল প্রতিভা ও ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ দিরাই উপজেলা ও পৌর বিএনপিকে অবগত না করেই সংবাদ সম্মেলন: মিশ্র প্রতিক্রিয়া হাফিজ সৈয়দ নাঈমের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউ.কে হেফাজত ব্যাহত হচ্ছে কাজের গতি: সুনামগঞ্জের ১২টি উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পদগুলো শূণ্য দিরাইয়ে নিজের নাম পরিবর্তন করে প্রতারণার মাধ্যমে পিতার সম্পতির জবর দখল, বঞ্চিত ভাই-বোনেরা: মামলা-পাল্টা মামলায় নিঃস্ব জাহির আলী
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে খেজুরের রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে খেজুরের রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা

kejurএসএম সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতিনিধি: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বাগেরহাটসহ ১০ জেলার শীতের শুরুতেই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন খেজুর রস সংগ্রহকারীরা। কয়েক হাজার গাছির সারা বছরের রুজি-রুটির নির্ভর করে এ পেশার উপর। এখনো শীতের তীব্রতা দেখা না মিললেও এরইমধ্যে খেজুর রস সংগ্রহের কাজ শুরু করে দিয়েছেন অনেকেই। তবে খেজুরগাছ সঙ্কটের কারণে এ বছরও চাহিদা অনুযায়ি রস পাওয়া যাবেনা বলে আশঙ্কা করেছেন সংগ্রহকারীরা।
বাগেরহাটের কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, এলাকার এক সময় খ্যাতি থাকলেও কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য খেজুরের রস ও গুড়। কয়েক বছর আগেও এলাকার প্রতিটি বাড়িতে, ক্ষেতের আইলের পাশে ও রাস্তার দুইধার দিয়ে ছিল অসংখ্য খেজুরগাছ। কোনো পরিচর্যা ছাড়াই অনেকটা প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠতো খেজুর গাছগুলো। প্রতিটি পরিবারের চাহিদা পূরণ করে অতিরিক্ত রস দিয়ে তৈরি করা হতো গুড়। অত্যন্ত সুস্বাদু হওয়ায় এলাকার চাহিদা পূরণ করে বাড়তি গুড় সরবরাহ করা হতো দেশের বিভিন্ন স্থানে। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব, লবণ পানির আগ্রাসন ও জ্বালানি হিসেবে ইট ও টালি পোড়ানোর কাজে অবাধে খেজুরগাছ ব্যবহারের ফলে মারাত্মকভাবে কমে যাচ্ছে। বর্তমানে বসতবাড়ি কিংবা ক্ষেত-খামার, এমনকি রাস্তাঘাটের পাশেও দেখা মিলেনা খেজুরগাছের। অনেকটাই বিলপ্তির পথে পরিবেশ বান্ধব গুরুত্বপূর্ণ এ গাছ। এক সময় রস সংগ্রহ করে অনেকেই জীবিকা নির্বাহ করলেও বেশির ভাগই ছেড়ে দিয়েছেন এ পেশা, দুই-একজন এখনো ধরে রেখেছেন।
খেজুরগাছ থেকে রস সংগ্রহকারি ফজলু শেখ, কাদের শেখ ও রহমান ফকির জানান, তিন-চার দিন হচ্ছে রস সংগ্রহের কাজ শুরু করা হয়েছে; তবে এখনো রস বেশি মিলছেনা, শীত বাড়লে রসের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে বলে তারা জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com